০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

ধুনটে প্রতারণা মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা পাঁচটি মামলায় মোট পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি নয়পাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। বুধবার রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে জাহাঙ্গীর আলম সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বেড়েরবাড়ি গ্রামের বাবলু মিয়া, শাহিন আলম, ফজলু মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, রুহুল আমিন, ফাহিমসহ ৭-৮ জন যুবকের কাছ থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। পরে চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে ভুক্তভোগীদের চাপের মুখে তিনি এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান।
পরবর্তীতে জাহাঙ্গীর আলমকে খুঁজে না পেয়ে ভুক্তভোগী বাবলু মিয়া, ফাহিম, ফজলু মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম ও শাহিন আলম পৃথকভাবে বাদী হয়ে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৭ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বগুড়ার আদালতে পাঁচটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর জাহাঙ্গীর আলম আদালতে হাজির হয়ে জামিন নেননি। ফলে তার অনুপস্থিতিতেই আদালতে মামলাগুলোর বিচারকার্য সম্পন্ন হয়। শুনানি শেষে গত মাসে আদালত পাঁচটি মামলার প্রতিটিতে এক বছর করে মোট পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
ওই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে বুধবার রাতে ধুনট থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, প্রতারণার পাঁচটি মামলায় মোট পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ধুনটে প্রতারণা মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

ধুনটে প্রতারণা মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

০৭:৫৫:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা পাঁচটি মামলায় মোট পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি নয়পাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। বুধবার রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে জাহাঙ্গীর আলম সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বেড়েরবাড়ি গ্রামের বাবলু মিয়া, শাহিন আলম, ফজলু মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, রুহুল আমিন, ফাহিমসহ ৭-৮ জন যুবকের কাছ থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। পরে চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে ভুক্তভোগীদের চাপের মুখে তিনি এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান।
পরবর্তীতে জাহাঙ্গীর আলমকে খুঁজে না পেয়ে ভুক্তভোগী বাবলু মিয়া, ফাহিম, ফজলু মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম ও শাহিন আলম পৃথকভাবে বাদী হয়ে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৭ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বগুড়ার আদালতে পাঁচটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর জাহাঙ্গীর আলম আদালতে হাজির হয়ে জামিন নেননি। ফলে তার অনুপস্থিতিতেই আদালতে মামলাগুলোর বিচারকার্য সম্পন্ন হয়। শুনানি শেষে গত মাসে আদালত পাঁচটি মামলার প্রতিটিতে এক বছর করে মোট পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
ওই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে বুধবার রাতে ধুনট থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, প্রতারণার পাঁচটি মামলায় মোট পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।