বগুড়ার শেরপুর–ধুনট আঞ্চলিক সড়কের একটি বাঁক এখন যেন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। এই অঞ্চলের মানুষের চলাচলের প্রধান পথ হিসেবে ধুনট–শেরপুর সড়ক বহুদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধুনট, গোসাইবাড়ী, ভান্ডারবাড়ী, চিকাশী, এলাঙ্গী, মথুরাপুর, গোপালনগর, চৌকিবাড়ী, নিমগাছি, কালেরপাড়া এবং সিরাজগঞ্জের কাজিপুর ও সারিয়াকান্দি উপজেলার কিছু অংশের মানুষের যাতায়াতের জন্য এই সড়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন প্রায় ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ক পথে বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, কার, সিএনজি ও ইজিবাইকসহ নানা ধরনের যানবাহনে লক্ষাধিক মানুষ চলাচল করে।

তবে এই ব্যস্ত আঞ্চলিক সড়কের উল্লাপাড়া এলাকায় রয়েছে দুটি বিপজ্জনক বাঁক, যা চালক ও এলাকাবাসীর কাছে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাঁক দুটির পাশে ঘন বাঁশঝাড় থাকায় এক পাশ থেকে অন্য পাশে আসা যানবাহন দেখা যায় না। এছাড়া সূর্যের আলোও ঠিকভাবে পৌঁছাতে না পারায় এলাকায় আলো স্বল্পতা দেখা দেয়।

বিশেষ করে আকাশ মেঘলা থাকলে কিংবা বৃষ্টির সময় দিনের বেলাতেও যানবাহনে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হয়। এসব কারণে মোড় দুটিতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, যা প্রাণহানির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও চালকদের মতে, ওই দুটি বিপজ্জনক বাঁকে যদি ট্রাফিক কনভেক্স আয়না (Curve Mirror) বসানো হয়, তাহলে বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহন সহজেই দেখা যাবে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে। তারা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বাবুল ইসলাম 















