০৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

নিখোঁজের ৮ দিন পর পুকুরে মিলল অটোরিক্সাচালকের লাশ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় নিখোঁজের আট দিন পর আবু বক্কর (৩৭) নামের এক অটোরিক্সাচালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার কেল্লাপশি বাগড়া রোডের পাশে বস্টুমী পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

নিহত আবু বক্কর শেরপুর উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের গোসাইবাড়ী কলোনী গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১ সেপ্টেম্বর দুপুর আড়াইটার দিকে আবু বক্কর অটোরিক্সা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ২ সেপ্টেম্বর তার স্ত্রী মোছাঃ ফুলমালা খাতুন শেরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ওইদিন রাতেই উপজেলার ঘোগা বটতলা এলাকা থেকে তার অটোরিক্সার শুধু বডি উদ্ধার হয়।

এরপর থেকে টানা খোঁজাখুঁজির পরও কোনো খোঁজ মেলেনি। অবশেষে মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় কয়েকজন শিশু তাল কুড়াতে গিয়ে পুকুরে ভাসমান মরদেহ দেখতে পায়। খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়রা জানান, মরদেহটি গলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে নিহতের মামাতো ভাই আবু সাঈদ মরদেহ শনাক্ত করেন।

শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ধুনটে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস পালিত

নিখোঁজের ৮ দিন পর পুকুরে মিলল অটোরিক্সাচালকের লাশ

১০:১৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় নিখোঁজের আট দিন পর আবু বক্কর (৩৭) নামের এক অটোরিক্সাচালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার কেল্লাপশি বাগড়া রোডের পাশে বস্টুমী পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

নিহত আবু বক্কর শেরপুর উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের গোসাইবাড়ী কলোনী গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১ সেপ্টেম্বর দুপুর আড়াইটার দিকে আবু বক্কর অটোরিক্সা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ২ সেপ্টেম্বর তার স্ত্রী মোছাঃ ফুলমালা খাতুন শেরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ওইদিন রাতেই উপজেলার ঘোগা বটতলা এলাকা থেকে তার অটোরিক্সার শুধু বডি উদ্ধার হয়।

এরপর থেকে টানা খোঁজাখুঁজির পরও কোনো খোঁজ মেলেনি। অবশেষে মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় কয়েকজন শিশু তাল কুড়াতে গিয়ে পুকুরে ভাসমান মরদেহ দেখতে পায়। খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়রা জানান, মরদেহটি গলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে নিহতের মামাতো ভাই আবু সাঈদ মরদেহ শনাক্ত করেন।

শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।