০২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়ায় মহিলা দল নেত্রীর পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে কলেজছাত্রী পুলিশ হেফাজতে

বগুড়ায় উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় মহিলা দল নেত্রীর পরিবর্তে প্রক্সি দিতে গিয়ে এক কলেজছাত্রীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে শহরের জিলা স্কুল কেন্দ্র থেকে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

পুলিশ হেফাজতে থাকা ছাত্রীর নাম ঈশিতা আক্তার তিশা (১৮)। তিনি বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযোগ আছে, তিনি শহর মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিপা খাতুনের পরিবর্তে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার সময় কক্ষ পরিদর্শক খাতা স্বাক্ষরের সময় প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে পরীক্ষার্থীর চেহারার অমিল দেখতে পান। এতে সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদে ঈশিতা নিজের পরিচয় প্রকাশ করেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

থানায় নেওয়ার পর ঈশিতা আক্তার জানান, নিপা খাতুন তার খালা। তাঁর অনুরোধে তিনি পরীক্ষায় অংশ নেন।

তবে নিপা খাতুন বলেন, পরীক্ষার সময় তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলেন। অল্প সময়ের জন্য তিনি তাঁর ভাগ্নীকে কেন্দ্রে রেখে যান। “মূলত আমিই পরীক্ষা দিচ্ছিলাম। ভুল বোঝাবুঝির কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে,” দাবি করেন তিনি।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, ওই ছাত্রীকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ লিখিত অভিযোগ দিলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বগুড়ায় মহিলা দল নেত্রীর পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে কলেজছাত্রী পুলিশ হেফাজতে

১১:০৩:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়ায় উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় মহিলা দল নেত্রীর পরিবর্তে প্রক্সি দিতে গিয়ে এক কলেজছাত্রীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে শহরের জিলা স্কুল কেন্দ্র থেকে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

পুলিশ হেফাজতে থাকা ছাত্রীর নাম ঈশিতা আক্তার তিশা (১৮)। তিনি বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযোগ আছে, তিনি শহর মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিপা খাতুনের পরিবর্তে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার সময় কক্ষ পরিদর্শক খাতা স্বাক্ষরের সময় প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে পরীক্ষার্থীর চেহারার অমিল দেখতে পান। এতে সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদে ঈশিতা নিজের পরিচয় প্রকাশ করেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

থানায় নেওয়ার পর ঈশিতা আক্তার জানান, নিপা খাতুন তার খালা। তাঁর অনুরোধে তিনি পরীক্ষায় অংশ নেন।

তবে নিপা খাতুন বলেন, পরীক্ষার সময় তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলেন। অল্প সময়ের জন্য তিনি তাঁর ভাগ্নীকে কেন্দ্রে রেখে যান। “মূলত আমিই পরীক্ষা দিচ্ছিলাম। ভুল বোঝাবুঝির কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে,” দাবি করেন তিনি।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, ওই ছাত্রীকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ লিখিত অভিযোগ দিলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।