বগুড়ার ধুনটে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে কৃষক দম্পতির বিরুদ্ধে হত্যার উদ্যেশে আবুল কাশেম (৬৬) নামে অবসরপ্রাপ্ত এক শিক্ষকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই শিক্ষকের ডান হাত ভেঙ্গে গেছে।
শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলার বেলকুচি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষক আবুল কাশেম বেলকুচি গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে। তিনি ধুনট সরকারি নইম উদ্দিন পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় আহত আবুল কাশেম বাদি হয়ে শুক্রবার দুপুরে কৃষক দম্পতির বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। ওই অভিযোগে বেলকুচি গ্রামের ইছাহার আলীর ছেলে আব্দুল মজিদ ও তার স্ত্রী রুনা খাতুনকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক আবুল কাশেমের সঙ্গে আব্দুল মজিদের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে মিমাংসার বৈঠক হয়। বৈঠকে গ্রামের মাতব্বরদের সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও পরবর্তীতে সব সিদ্ধান্ত অমান্য করেন আব্দুল মজিদ। এ ভাবে দফায় দফায় বৈঠক করেও উভয় পরিবারের মধ্যে কোন সমঝোতা হয়নি।
এ অবস্থায় শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে আব্দুল মজিদ ও তার স্ত্রী শিক্ষক আবুল কাশেমের জমির সীমানায় বাঁশের তৈরী বেড়া ভাংতে থাকে। এ সময় আবুল কাশেম তাদের বাধা দেন। তখন আব্দুল মজিদ ও তার স্ত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে আবুল কাশেমকে শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টা করে। এক পর্যায়ে তারা রড দিয়ে পিটিয়ে আবুল কাশেমের হাত ভেঙে দিয়েছে। ঘটনার পর থেকে কৃষক দম্পতি পলাতক থাকায় এ বিষয়ে তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতার প্রমান পাওয়া গেছে।
বাবুল ইসলাম 








