১২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ধুনটে কয়েলের আগুনে কৃষকের বসতবাড়ি পুড়ে ছাই, দুটি গরুর মৃত্যু

বগুড়ার ধুনটে মশা তাড়ানোর কয়েল থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে এক কৃষক পরিবারের বসতবাড়ি, দুটি গরু, আসবাবপত্র ও খাদ্যসামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার ভোররাত প্রায় ৪টার দিকে উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়নের কোদলাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রান্তিক কৃষক চান মিয়ার বাড়ির গোয়ালঘরে কয়েলের আগুন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে বসতঘর, গৃহস্থালি মালামাল ও দুটি গরু পুড়ে মারা যায়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত চান মিয়া।

তিনি বলেন,আগুন আমাকে সম্পূর্ণ নিঃস্ব করে দিয়েছে। ধার-দেনা করে চাষাবাদ করি, এনজিও থেকে ঋণ নেওয়া আছে। এখন ঘর-বাড়ি, আসবাবপত্র, গরু কিছুই রইল না। এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা খুব কঠিন হবে। তিনি সরকারি সহায়তা কামনা করেছেন।

নিমগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সনিতা নাছরিন বলেন,সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয়

দেশ গড়ার পরিকল্পনা ধুনটে বিএনপি’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ধুনটে কয়েলের আগুনে কৃষকের বসতবাড়ি পুড়ে ছাই, দুটি গরুর মৃত্যু

০৭:১০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

বগুড়ার ধুনটে মশা তাড়ানোর কয়েল থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে এক কৃষক পরিবারের বসতবাড়ি, দুটি গরু, আসবাবপত্র ও খাদ্যসামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার ভোররাত প্রায় ৪টার দিকে উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়নের কোদলাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রান্তিক কৃষক চান মিয়ার বাড়ির গোয়ালঘরে কয়েলের আগুন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে বসতঘর, গৃহস্থালি মালামাল ও দুটি গরু পুড়ে মারা যায়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত চান মিয়া।

তিনি বলেন,আগুন আমাকে সম্পূর্ণ নিঃস্ব করে দিয়েছে। ধার-দেনা করে চাষাবাদ করি, এনজিও থেকে ঋণ নেওয়া আছে। এখন ঘর-বাড়ি, আসবাবপত্র, গরু কিছুই রইল না। এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা খুব কঠিন হবে। তিনি সরকারি সহায়তা কামনা করেছেন।

নিমগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সনিতা নাছরিন বলেন,সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।