বগুড়ার ধুনটে পূর্ব বিরোধের জের ধরে কৃষকের বিদ্যুৎ চালিত সেচযন্ত্রের পাইপ ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে ট্রলি চালক দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে। ফলে আবাদি জমিতে পানি সেচের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় ফসলের ক্ষতির উপক্রম হয়েছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক বাদি হয়ে ট্রলি চালক দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোসাইবাড়ি ইউনিয়নে পূর্বগুয়াডহরী গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে জিল্লুর রহমান একজন আদর্শ কৃষক। তিনি ২০২৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) থেকে অনুমোদন নিয়ে বাড়ির পাশের মাঠে বিদ্যুৎচালিত সেচযন্ত্র স্থাপন করেন। সেখান থেকে আবাদি জমিতে পানি সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। এ অবস্থায় একই গ্রামের রাজ্জাক মন্ডলের ছেলে ট্রলি চালক সুজন ও সাকিল বিএডিসি থেকে একটি সেচযন্ত্রের অনুমোদন নিয়ে বিধিবর্হিভুত ভাবে বোরিং ও বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে সেচ কার্যক্রম করছে।
এ ঘটনায় কৃষক জিল্লুর রহমান সুজন ও সাকিলের অবৈধ সেচযন্ত্রের অপসারন করার জন্য ২০২৫ সালের ২১ ডিসেম্বর উপজেলা সেচ কমিটি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। ফলে জিল্লুর রহমানের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে সুজন ও সাকিল। এক পর্যায়ে বুধবার সকাল ৬টায় সুজন ও সাকিল মাঠের ভেতরে জিল্লুর রহমানের সেচযন্ত্রের পানির পাইপ ভাংচুর করেছে। এ ঘটনায় জিল্লুর রহমান বাদি হয়ে সুজন ও সাকিলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুজন জানান, জিল্লুর রহমানের সেচযন্ত্রের পানির পাইপ কে বা কারা ভাংচুর করেছে তা আমার জানা নেই। তারপরও আমাদের দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে।
ধুনট থানার এসআই আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পানির পাইপ ভাংচুরের অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাবুল ইসলাম 















