বগুড়ার ধুনট পৌর এলাকার পূর্ব ভরনশাহী ইছামতি নদীর তীরে অনুষ্ঠিত ইজতেমার দ্বিতীয় দিন ছিল শুক্রবার। এদিন ইজতেমা ময়দানে বড় জামাতে জুমআ’র নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জুমআ’র নামাজ আদায়ে অংশ নিতে শুক্রবার সকাল থেকেই ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিদের ঢল নামে।
জুমআ’র নামাজের খুতবা শেষে ইমামতি করেন সৌদি মেহমান আবু হারেসা জাহরা (সিরিয়া)। নামাজ শেষে মুসল্লিদের উদ্দেশে বয়ান করেন মুফতি মশিউর রহমান।
আগামী শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমা শেষ হবে। ঢাকা কাকরাইল মসজিদের আলমি শুরার তত্ত্বাবধানে এ ইজতেমা পরিচালিত হচ্ছে।
প্রতিদিন ফজর, যোহর, আছর ও মাগরিব নামাজের পর মুরব্বিরা বয়ান পেশ করছেন। ইজতেমায় বাংলা ভাষায় বয়ান করা হচ্ছে। নবী-রাসুলের তরিকা, আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগিসহ বিভিন্ন ধর্মীয় বিষয়ে ওলামায়ে কেরাম কোরআন ও হাদিসের আলোকে বয়ান পেশ করছেন।
ইজতেমা আয়োজক কমিটির প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সদস্য মাওলানা রবিউল ইসলাম জানান, ইজতেমা ময়দানে সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে স্বেচ্ছাসেবক দল সার্বক্ষণিক কাজ করছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। ইজতেমার আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন ঢাকা কাকরাইল মসজিদের মুরব্বি মাওলানা আব্দুল মতিন।

ফজরের নামাজ আদায়ের পর বগুড়া মারকাজ মাদরাসার নায়েবে মুহতামিম মুফতি আলাউদ্দিনের উদ্বোধনী বয়ানের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে তৃতীয়বারের মতো শুরু হওয়া এই তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক ইজতেমায় ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি সমবেত হয়েছেন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মুসল্লিদের সংখ্যা আরও বাড়ছে।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত ইজতেমা ময়দানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন স্তরের সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন।
বাবুল ইসলাম 

















