বগুড়ার ধুনট উপজেলায় পিছিয়ে পড়া শিক্ষা কার্যক্রম একধাপ এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল স্থাপনের প্রস্তাব করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। তিনি জেলা প্রশাসাকের কাছে লিখিত ভাবে এ প্রস্তাব করেন।
ইউএনও অফিস সূত্রে জানা যায়, নানাবিধ সমস্যার কারণে ধুনট পৌর এলাকায় মানসম্পন্ন ও যুগোপযোগী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। একটি ভাল মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ওই এলাকার সামগ্রীক চিত্র পাল্টে দিতে পরে। শিক্ষার মানকে উচ্চতর পর্যায়ে পৌছে দিতে পারে। এই এলাকায় মানসন্মত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় না থাকায় সরকারী চাকরিজীবীরা তাদের সন্তানদের লেখাপড়া নিয়ে চরম বিপাকে পড়েন।
এ কারণে এলাকার অধিকাংশ চাকরীজীবী ও অবস্থাসম্পন্ন অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের লেখাপড়া করানোর কথা চিন্তা করে জেলা সদরে অবস্থান করেন এবং জেলা সদরের মানসন্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্তানদের লেখাপাড়া করান। বর্তমানে আর্ন্তজাতিক ভাষা হওয়ায় ইংরেজী শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্ত এই উপজেলায় ইংলিশ মিডিয়াম বা ইংরেজী ভার্সনের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। এক্ষেত্রে বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল স্থাপিত হলে সেই সমস্যা দুর করা সম্ভব।
এসব দিক বিবেচনা করে মার্চ মাসে উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের জন্য উপজেলা পরিষদ এলাকায় ৮০ শতক জায়গা নির্ধারন করা হয়েছে। সেখানে সীমানা প্রাচীর রয়েছে। উপজেলার পরিষদের পুরাতন টিনসেট ভবনে বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এলাকার শিক্ষা সচেতন নাগরিকরা জানান, উপজেলা প্রতিষ্ঠার র্দীঘ দিন পর এমন উদ্যোগে সত্যিই আমরা আনন্দিত ও উল্লাসিত। এই অবদান সারা জীবন মনে রাখবে এই অঞ্চলের মানুষ। আশা করছি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা যে উদ্যোগ নিয়েছেন দ্রুত সময়েই সেটার বাস্তবায়ন হবে।
ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খৃষ্টফার হিমেল রিছিল বলেন, এ উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই এখানে একটি মানসন্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছি। এলাকাবাসিকে সঙ্গে নিয়ে সেটি বাস্তবায়ন করতে চাই। তারই ধারাবাহিকতায় ৭মে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা হবে।
স্টাফ রিপোর্টার 














